আমাদের সম্পর্কে

-=নির্বাহী পরিচালকের বাণী=-

২০১১ সালে একদল নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী মিলে পথ চলা শুরু করে এবং গঠন করে সমাজসেবা মূলক সংগঠন যার নাম এসোসিয়েশন ফর রুরাল পিপলস এডভান্সমেন্ট (অর্পা)। যাদের রয়েছে তৃণমূল পর্যায়ের সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা। সংস্থাটি তার আইনী অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল এবং এটি রাষ্ট্রের বৈধ আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করে। এছাড়া শিক্ষার অভাব এদেশের উন্নয়নের অন্তরায়। সরকারী ও বেসরকারী উভয় সংস্থা নিরক্ষরতার অভিশাপ কমাতে লড়াই করে চলেছে। বাংলাদেশে প্রচুর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড থাকা সত্ত্বেও এখনও সব বয়সের প্রায় ৭.৫ কোটি মানুষ নিরক্ষর। লক্ষ লক্ষ স্কুল বয়সের শিশুরা কেবল দারিদ্র্যের জন্য নয়, নিরক্ষর পার্সেন্টের কারণেও প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। মেয়েদের শিক্ষার প্রতি সমাজের অপর্যাপ্ত সহযোগীতা। অর্পা তার প্রতিষ্ঠার পর থেকে টেকসই উন্নয়নের জন্য সেই বাধা অপসারণের জন্য কাজ কের চলেছে। আমি আমার নির্বাহী কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞ যারা আমাদের ক্রিয়াকলাপের সাফল্যের জন্য তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। আমি আমাদের সকল সাধারণ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই যাদের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ব্যতীত দরিদ্রদের সুবিধার্থে এ জাতীয় উন্নয়ন প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব ছিল। আমি অন্যান্য শুভাকাঙ্ক্ষীকে ধন্যবাদ জানাই যারা আর্থিক সহায়তা এবং পরামর্শের সাথে তাদের সহযোগিতা প্রসারিত করেছেন।

    অর্পা নাটোর জেলায় এর কর্মকাণ্ড পরিচালিত করলেও আগামীতে এর কর্ম এলাকা প্রসারিত করতে ইচ্ছুক। অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে এবং দীর্ঘস্থায়ীরূপে এটিকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিবর্গ ও সরকারের সকল মন্ত্রণালয়সহ পরিচিত ব্যক্তিবর্গের ও বিদেশি দাতা গোষ্টির পরামর্শ আমাদের একান্ত কাম্য।

    এডভোকেট মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান

  • নির্বাহী পরিচালক, অর্পা।

অর্পা স্থাপিত হয় ২০১১ সালে

মহিলা উদ্যোক্তা

পটভূমিঃ

  • ২০১১ সালে একদল নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী মিলে পথ চলা শুরু করে এবং গঠন করে সমাজসেবা মূলক সংগঠন যার নাম এসোসিয়েশন ফর রুরাল পিপলস এডভান্সমেন্ট (অর্পা)। যাদের রয়েছে তৃণমূল পর্যায়ের সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা।
  • বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ। নিরক্ষরতার মতো অনেক সমস্যায় দেশ ভারাক্রান্ত। এছাড়া এ দেশের জনসংখ্যা বেশি। কখনও কখনও-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামগ্রিক অপরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম যা সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের দক্ষ কার্যকারিতা হ্রাস করে চলেছে। ফলস্বরূপ দেশ এবং দেশবাসী দরিদ্র থেকে আরও দরিদ্র হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ মূলত একটি কৃষি প্রধান দেশ। প্রায় ৫৫% জনসংখ্যা কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু বিপুল সংখ্যক লোক যারা কৃষিক্ষেত্র কাজ করে তারা সাধারণত ভূমিহীন, গৃহহীন। তাছাড়া এই কৃষিক্ষেত্রগুলি বছরের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের জন্য চাষের অযোগ্য থাকে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী ফসল ফলে না।
  • এছাড়া শিক্ষার অভাব এদেশের উন্নয়নের অন্তরায়। সরকারী ও বেসরকারী উভয় সংস্থা নিরক্ষরতার অভিশাপ কমাতে লড়াই করে চলেছে। বাংলাদেশে প্রচুর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড থাকা সত্ত্বেও এখনও সব বয়সের প্রায় ৭.৫ কোটি মানুষ নিরক্ষর। লক্ষ লক্ষ স্কুল বয়সের শিশুরা কেবল দারিদ্র্যের জন্য নয়, নিরক্ষর পার্সেন্টের কারণেও প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। মেয়েদের শিক্ষার প্রতি সমাজের অপর্যাপ্ত সহযোগীতা।
  • নাটোর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা। এই জেলায় রায়েছে চলনবীল। অতি বৃষ্টি ও অনা বৃষ্টি, অতিরিক্ত রোদ ও খরা এবং প্রচণ্ড শীতের কারনে নাটোর জেলায় যেন এক আবহাওয়ার নিদারুন প্রতাপ চলে। ফলে কৃর্ষকেরা এখানে ফসল ফলাতে পারেনা। সেজন্য এই কৃষিক্ষেত্রগুলি বছরের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের জন্য চাষের অযোগ্য থাকে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী ফসল ফলে না।
  • সাধারণ মানুষকে পরিবেশগত সচেতন করা, শ্রমজীবি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের কর্ম সংস্থান সৃষ্ঠি করে উপার্জনশীল করার লক্ষ্য ২০১১ সালে একদল নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী মিলে পথ চলা শুরু করে সমাজসেবা মূলক সংগঠন অর্পা’র।

লক্ষ্য

  • সমাজের পিছিয়ে পড়া জনসাধারনের জীবন মানের পরিবর্তন ঘটানো, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষা করা, তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা, নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করা এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরি করতে অর্পা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
  • আদর্শ

  • অল্প শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বৃত্তি মূলক প্রশিক্ষণ চালু করা, ধুমপান বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলাসহ স্বেচ্ছায় রক্তদানে জনগনকে ব্যপক উদ্বুদ্ধ করা, অ-বৈতনিক গণশিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা।
  • উদ্দেশ্য

    • গ্রামীন অ-উন্নত এলাকার নিরক্ষর অনগ্রসর মানুষকে শিক্ষাদানের জন্য শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা ও অ-বৈতনিক গণশিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা, আনুষ্ঠানিক শিশু শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষা চালু করা।
    • গ্রামীন ভূমিহীন, শ্রমজীবি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের কর্ম সংস্থান সৃষ্ঠি করে উপার্জনশীল করা এবং সুবিধা বঞ্চিত শ্রেনীর ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প গ্রহন করা।
    • গ্রামীন অন-অভিজ্ঞ জন সাধারণকে স্বাস্থ্য সচেতন করা। পুষ্টি, ভিটামিন, মাতৃস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করা এবং সহায়তা প্রদান করা। প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিষেধক এর মাধ্যমে রোগ নিরাময় করনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রশিক্ষন দেওয়া এবং শিক্ষনীয় বিষয়বস্তু ভিত্তিক পুস্তুক, লিফলেট প্রণয়ন করা ও প্রচার করা।
    • পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন করা ও পদ্ধতি গ্রহনে উঃসাহিত করা এবং এই উদ্দেশ্যে ব্যাপক প্রচারকার্য চালানো এবং সহায়ক সেবা প্রদান করার জন্য কর্মসূচী গ্রহন করা ।
    • গ্রামীন বিশেষ করে অনগ্রসর ভূমিহীন, শ্রমজীবি মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে : তাদের দ্বারা পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষন প্রদান এবং কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা ও উপার্জনশীল করে তোলা।
    • দরিদ্র জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থান ও উপার্জনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে কুটির শিল্পের প্রশিক্ষন দেয়ার মাধ্যমে কুটির শিল্প গঠনে উৎসাহ দেয়া এবং কুটির শিল্প চালু করা ও সহায়তা সেবা প্রদান করা।
    • সাধারণ মানুষকে পরিবেশগত সচেতন করা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে পরিবেশ দুষন রোধ, পরিবেশ সংরক্ষন এবং উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে নিবীড়ভাবে কাজ করা।
    • জনগনের মধ্যে পাঠ অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে পাঠাগার স্থাপন ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত বুলেটিন প্রকাশ করা।
    • ধুমপান বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলাসহ স্বেচ্ছায় রক্তদানে জনগনকে ব্যপক উদ্বুদ্ধ করা।
    • দুস্থ বিত্তহীন মহিলাদের দল গঠন ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রশিক্ষন চালু করা এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে তাদের প্রশিক্ষন দিয়ে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা।
    • অল্প শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বৃত্তি মূলক প্রশিক্ষণ চালু করা এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
    • অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং সক্ষম ব্যক্তিদেরকে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রশিকায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
    • প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসনে ও সামাজিকভাবে মূল্যায়নের ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
    • নির্যাতিত, শিশু ও মহিলাদের আইনগত সুযোগ সুবিধা প্রদান ও পুনঃর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহন করা ।
    • বয়স্ক শিক্ষা, উপ-আনুষ্ঠনিক শিক্ষা উপযোগী কারিগরী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরীর জন্য শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা। থ) প্রাথমিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা, বিশুদ্ধ পানি, স্বল্প ব্যয়ে সেনেটারী ল্যাট্রিন কর্মসূচী গ্রহন করা এবং ই,পি,আই কর্মসূচীর সহায়তা করা।
    • সেচ ব্যবস্থায় সহায়তার জন্য বৈজ্ঞানিক কৃষি সরঞ্জামাদী সরবরাহ, প্রান্তিক চাষীদের উন্নতমানের বীজ সরবরাহ করা এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রান্তিক চাষীদের সমন্বয়ে কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করা।
    • প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে বাংলাদেশ সরকার এর বার্ষিক বনায়ন কর্মসূচীর অধীনে অত্র সংস্থার কার্যক্রম ভূক্ত এলাকায় ব্যপক বনায়ন কর্মসূচীতে সহায়তা করা এবং বনায়ন প্রকল্প গ্রহন করা, বৃক্ষ নিধন প্রতিরোধ সম্পর্কে জন সাধারণকে সচেতন করা।
    • ভূমিহীন ও দুস্থ মহিলাদের আয় বৃদ্ধি মূলক কর্মসূচীতে সহায়তা প্রদান করা।
    • মহিলাদের হস্ত শিল্প ও পেশাগত শিক্ষাদান এবং উন্নয়ন সাধন করা।

    আইনগত ভিত্তি

    ১। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, নিবন্ধন নং- ২৯০৮, তারিখঃ ২৯/১২/২০১৪

    ২। সমাজ সেবা অধিদপ্তর, নিবন্ধন নং- নাট-৫৯০, তারিখঃ ২৯/০৮/২০১৩

    নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ

    মোঃ জিয়াউল হক

    সহঃ সভাপতি

    মোছাঃ ফাহমিদা (নিপা)

    সহঃ সাধারণ সম্পাদক

    মোঃ জালাল উদ্দিন

    নির্বাহী সদস্য

    মোঃ রাকিবুল হাসান

    নির্বাহী সদস্য

    উপদেষ্টা পরিষদ